

কানে শোনার যন্ত্র: হিয়ারিং এইড কেনার আগে যে তথ্যগুলো জানা জরুরি
কানে শোনার যন্ত্র কেনার আগে ধরন, দাম, হিয়ারিং টেস্ট ও যত্নের নিয়ম জানুন। আপনার জন্য সঠিক যন্ত্র বেছে নিতে এই সহজ গাইড দেখুন।
বাড়ির বড় কেউ টিভির ভলিউম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফোনে বারবার জিজ্ঞেস করছেন, "কী বললে?" হয়তো আপনি নিজেই এখন ভিড়ের মধ্যে কারও কথা ধরতে পারছেন না। তখন একটা প্রশ্ন মাথায় আসে: একটা কানে শোনার যন্ত্র কিনলেই কি সব ঠিক হয়ে যাবে?
উত্তর হলো, প্রায়ই হয়। কিন্তু শর্ত আছে। ভুল যন্ত্র কিনলে টাকা যায়, যন্ত্রও ড্রয়ারে পড়ে থাকে। এমন ঘটনা খুব সাধারণ।
এই লেখায় আমি কানে শোনার যন্ত্র নিয়ে সবকিছু সহজ ভাষায় বলব। যন্ত্র কী, কত ধরনের আছে, কেনার আগে কী করবেন, দাম নিয়ে কী ভাববেন, আর কেনার পরে কীভাবে যত্ন নেবেন। পড়া শেষে আপনি নিজেই ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
কানে শোনার যন্ত্র কী এবং কীভাবে কাজ করে?
কানে শোনার যন্ত্র একটি ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইস। এটি আপনার কানে বা কানের পেছনে বসে। তিনটি অংশ মিলে কাজ করে: মাইক্রোফোন, প্রসেসর (অ্যামপ্লিফায়ার) আর স্পিকার।
মাইক্রোফোন চারপাশের শব্দ ধরে। প্রসেসর সেই শব্দ বিশ্লেষণ করে আপনার শ্রবণ ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী জোরালো করে। স্পিকার, যাকে রিসিভারও বলে, বাড়ানো শব্দ কানের ভেতরে পাঠায়।
একটা কথা শুরুতেই পরিষ্কার থাকুক। কানে শোনার যন্ত্র আপনার কানের আগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয় না। এটি শব্দকে বড় করে, যাতে আপনি আবার কথাবার্তায় অংশ নিতে পারেন। চশমা যেমন চোখের ক্ষমতা ফেরায় না কিন্তু দেখা সহজ করে, এটিও তেমন।
আজকের ডিজিটাল যন্ত্র আরও এগিয়ে। এটি কথার শব্দ আর পেছনের কোলাহল আলাদা করে, বাতাসের শব্দ কমায়। কিছু মডেল ব্লুটুথে ফোনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সরাসরি কল বা গান কানে পাঠায়।
কখন কানে শোনার যন্ত্র দরকার হয়?
শ্রবণ সমস্যা ধীরে ধীরে আসে। তাই অনেকে টেরই পান না। নিচের লক্ষণগুলো আপনার বা পরিবারের কারও মধ্যে দেখলে সতর্ক হন:
- মানুষ কথা বললে শুনতে পান, কিন্তু অর্থ বুঝতে পারেন না
- টিভি বা মোবাইলের ভলিউম অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি লাগে
- বারবার "আবার বলুন" বলতে হয়
- রেস্টুরেন্ট, বাজার বা ভিড়ে আলাপ বোঝা কঠিন
- ফোনে কথা ধরতে কষ্ট হয়
- সবাইকে বিড়বিড় করে কথা বলতে মনে হয়
- দিনের শেষে শুনতে গিয়ে অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে
এক-দুটি লক্ষণ থাকলেই দেরি করবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২১ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ কোনো না কোনো মাত্রায় শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন। আপনি একা নন।
তবে কানে শোনার যন্ত্র নেওয়ার আগে একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ বা অডিওলজিস্টের কাছে যান। সব শ্রবণ সমস্যা যন্ত্রে মেটে না। কানের ময়লা জমা, সংক্রমণ বা অন্য চিকিৎসাযোগ্য কারণও থাকতে পারে। সেগুলো আগে ধরা পড়লে যন্ত্রের খরচই বেঁচে যেতে পারে।
শ্রবণ ক্ষতির ধরন ও মাত্রা
কোন ধরনের ক্ষতিতে কানে শোনার যন্ত্র কাজ করে, তা আগে বুঝে নেওয়া ভালো। শ্রবণ ক্ষতি মূলত তিন রকম:
- কন্ডাক্টিভ: বাইরের বা মধ্যকানে সমস্যা থাকে। শব্দ ভেতরে পৌঁছাতে পারে না। অনেক সময় চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারে এটি ঠিক হয়।
- সেন্সরিনিউরাল: ভেতরের কান বা শ্রবণ স্নায়ুতে সমস্যা থাকে। বয়স, বেশি শব্দের সংস্পর্শ বা কিছু অসুখ এর কারণ হতে পারে। এই ধরনে যন্ত্র সবচেয়ে বেশি কাজে আসে।
- মিশ্র: দুটি সমস্যা একসঙ্গে থাকে।
মাত্রার হিসাবে চারটি ভাগ আছে: মৃদু, মাঝারি, গুরুতর আর অতি গুরুতর। আপনার মাত্রা কোনটি, সেটাই ঠিক করে দেবে কোন শক্তির যন্ত্র দরকার। এই তথ্য ছাড়া কেনাকাটা অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো।
কানে শোনার যন্ত্রের ধরন: কোনটি কেমন?
বাজারে মোটামুটি পাঁচ ধরনের যন্ত্র পাবেন। সব ধরন সবার জন্য নয়।
১. BTE (বিহাইন্ড দ্য ইয়ার): কানের পেছনে বসে। একটি সরু নল বা ইয়ারমোল্ড দিয়ে কানের ভেতরে শব্দ পাঠায়। এর শক্তি সবচেয়ে বেশি, তাই গুরুতর শ্রবণ ক্ষতিতে ভালো কাজ করে। আকারে একটু বড় বলে হাতে ধরা আর ব্যাটারি বদলানো সহজ। বয়স্ক অনেকে এই কারণেই এটি পছন্দ করেন।
২. RIC (রিসিভার ইন ক্যানাল): দেখতে ছোট ও পাতলা। স্পিকার থাকে কানের ভেতরে, প্রসেসর থাকে কানের পেছনে। মৃদু থেকে মাঝারি ক্ষতিতে অনেকেই এটি বেছে নেন। শব্দের মানও সাধারণত পরিষ্কার।
৩. ITE ও ITC (ইন দ্য ইয়ার / ইন দ্য ক্যানাল): প্রস্তুতকারক আপনার কানের মাপ নিয়ে এটি বানায়। পুরো যন্ত্র কানের বাইরের অংশে বা খাঁজে বসে। চশমা বা মাস্ক পরলে ঝামেলা কম।
৪. CIC (কমপ্লিটলি ইন ক্যানাল): সবচেয়ে ছোট। প্রায় দেখাই যায় না। কিন্তু ব্যাটারিও ছোট, তাই তাড়াতাড়ি ফুরায়। আঙুলে ধরে চালানোও কঠিন। হাতের কাজে কম দক্ষ কারও জন্য আমি এটি এড়াতে বলব।
৫. পকেট বা বডি-ওর্ন মডেল: পুরোনো ধরন। একটি তার দিয়ে কানে যুক্ত থাকে। এখন কম চলে, তবে কিছু ক্ষেত্রে এখনো কাজ দেয়।
কোনটি আপনার জন্য ঠিক, তা নির্ভর করে শ্রবণ ক্ষতির মাত্রা, কানের গড়ন, হাতের দক্ষতা আর বাজেটের ওপর। দূর থেকে এটা বলে দেওয়া যায় না। অডিওলজিস্ট আপনার কান দেখে বলবেন।
কেনার আগে হিয়ারিং টেস্ট করুন
কানে শোনার যন্ত্র কেনার আগে সবচেয়ে বড় ধাপ হলো হিয়ারিং টেস্ট, যাকে অডিওগ্রামও বলে। অডিওলজিস্ট বা ইএনটি বিশেষজ্ঞ এই পরীক্ষা করেন। আপনি হেডফোন পরে ছোট-বড় নানা শব্দ শুনবেন, আর শুনতে পেলেই সংকেত দেবেন।
পরীক্ষার শেষে অডিওলজিস্ট একটি গ্রাফ দেখান। সেখানে ধরা পড়ে আপনি কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে কম শুনছেন। কেউ উঁচু সুরের শব্দ মিস করেন, কেউ নিচু সুরের।
এই পরীক্ষা ছাড়া যন্ত্র কিনলে টাকা নষ্ট হয়। দোকানদার যা দেখান, তা আপনার জন্য ঠিক নাও হতে পারে। ভুল শক্তির যন্ত্র কিনলে আপনি কয়েক দিন পরেই সেটা তুলে রাখবেন। আমি এমন সিদ্ধান্ত অনেক দেখেছি, আর পরিণতি প্রায় একই থাকে।
কানে শোনার যন্ত্র কেনার আগে ৭টি বিষয় দেখুন
হিয়ারিং টেস্টের রিপোর্ট হাতে এলে এই সাতটি বিষয় মিলিয়ে নিন।
১. শ্রবণ ক্ষতির মাত্রা। মাত্রার সঙ্গে যন্ত্রের শক্তি মেলাতে হবে। কম শক্তির যন্ত্র গুরুতর ক্ষতিতে কাজ করে না। আবার অকারণে বেশি শক্তির যন্ত্র কানে চাপ দেয়।
২. চ্যানেল ও প্রোগ্রাম। চ্যানেল বেশি থাকলে যন্ত্র শব্দকে আরও ভালোভাবে ভাগ করে। কথা আলাদা হয়, কোলাহল কমে। দামও সেই অনুযায়ী বাড়ে।
৩. নয়েজ রিডাকশন। ভিড়ে, বাজারে বা পারিবারিক আড্ডায় এটাই আসল পরীক্ষা। এই সুবিধা কেমন কাজ করে, দোকানেই পরে দেখুন।
৪. ব্যাটারি। ডিসপোজেবল না রিচার্জেবল, তা ঠিক করুন। রিচার্জেবল যন্ত্র রোজ রাতে চার্জ দিতে হয়। ডিসপোজেবলে নিয়মিত ব্যাটারি বদলাতে হয়। নিজের অভ্যাস ভেবে বেছে নিন।
৫. ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস। যন্ত্র নষ্ট হলে কোথায় যাবেন? অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার আছে কি না, আগে জিজ্ঞেস করুন। ওয়ারেন্টির মেয়াদ লিখিত নিন।
৬. ট্রায়াল পিরিয়ড। কিনে কয়েক দিন বাড়িতে পরে দেখার সুযোগ আছে কি না জেনে নিন। অনেক ক্লিনিক এই সুযোগ দেয়। এটি বড় ভুল থেকে বাঁচায়।
৭. ফিটিং ও পরবর্তী সেবা। যন্ত্র কেনা তো শুরু মাত্র। আসল কাজ হলো ফিটিং আর টিউনিং। যে দোকান কেনার পর আপনাকে ফিরিয়ে দেয়, সেখান থেকে কিনবেন না।
কানে শোনার যন্ত্রের দাম কত?
দাম নিয়ে সবাই আগে প্রশ্ন করেন। আমি এখানে কোনো সংখ্যা বসাব না। কারণ বাংলাদেশে ব্র্যান্ড, ধরন, চ্যানেল আর প্রযুক্তি ভেদে কানে শোনার যন্ত্রের দাম অনেক আলাদা হয়, আর বাজারও বদলায়। ভুল সংখ্যা দিয়ে আপনাকে বিভ্রান্ত করতে চাই না।
তবে তিনটি কথা বলতে পারি।
প্রথমত, সস্তা দেখে কিনবেন না। মাত্রার সঙ্গে না মিললে সস্তা যন্ত্রও অপচয়।
দ্বিতীয়ত, সবচেয়ে দামি যন্ত্র সবার দরকার নেই। মৃদু ক্ষতিতে অতিরিক্ত ফিচারের পেছনে টাকা ঢাললে লাভ কম।
তৃতীয়ত, শুধু যন্ত্রের দাম দেখলে হবে না। সার্ভিস, ওয়ারেন্টি আর ফিটিংয়ের খরচও জুড়ে হিসাব করুন।
আপনার হিয়ারিং টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে দুই-তিনটি অনুমোদিত ক্লিনিকে যান। দাম আর সেবা তুলনা করুন। এতে বাজেটের ভেতরেই ভালো পছন্দ পাবেন।
নতুন যন্ত্র পরার প্রথম সপ্তাহ
কানে শোনার যন্ত্র পরার প্রথম কয়েক দিন কঠিন লাগতে পারে। এতে ঘাবড়াবেন না। চেয়ার সরানোর শব্দ, পাতার খসখস, ঘরের ঘড়ির টিকটিক। এই শব্দগুলো আপনি অনেক দিন শোনেননি। হঠাৎ সব শুনতে পেলে মাথা ধরা বা অস্বস্তি লাগে। কান আর মস্তিষ্ক মানিয়ে নিতে সময় নেয়।
শুরুতে দিনে অল্প সময় পরুন। শান্ত জায়গায় বসে পরুন, তারপর ধীরে ধীরে সময় বাড়ান। এরপর ভিড়ের মধ্যে চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, যন্ত্র পরার অভ্যাস তৈরি হতে সময় লাগে। এক সপ্তাহে হাল ছেড়ে দেবেন না।
অডিওলজিস্টের সঙ্গে ফলো-আপ রাখুন। কিছু কথা কর্কশ লাগলে বা কোনো শব্দ খুব জোরালো মনে হলে তাঁকে জানান। তিনি যন্ত্রের সেটিং ঠিক করে দেবেন। এই টিউনিং ছাড়া ভালো যন্ত্রও মাঝারি কাজ করে।
কানে শোনার যন্ত্রের যত্ন
ভালো যত্ন নিলে যন্ত্র বছরের পর বছর কাজ করে। কয়েকটি সহজ নিয়ম মানুন:
- যন্ত্র শুকনো রাখুন। গোসলের আগে খুলে রাখুন
- রোজ নরম, শুকনো কাপড়ে মুছুন
- কানের ময়লা জমলে ছোট ব্রাশ দিয়ে ধীরে পরিষ্কার করুন
- ঘুমানোর সময় যন্ত্র খুলে রাখুন, ব্যাটারির দরজা খোলা রাখুন
- ছোট বাচ্চা আর পোষা প্রাণীর নাগালের বাইরে রাখুন। ছোট ব্যাটারি গিলে ফেললে বিপদ হতে পারে
- কিছুদিন পরপর অডিওলজিস্টকে দিয়ে যন্ত্র আর কান পরীক্ষা করান
ভুল ধারণা: কানে শোনার যন্ত্র নিয়ে যা অনেকে ভাবেন
"যন্ত্র পরলে কান আরও খারাপ হয়।" ঠিকভাবে ফিট করা যন্ত্র কান নষ্ট করে না। উল্টো দেরি করলে শব্দ বোঝার ক্ষমতা আরও কমে যেতে পারে।
"যত ছোট, তত ভালো।" না। ছোট যন্ত্র দেখতে সুন্দর, কিন্তু শক্তি আর ব্যাটারি কম। আপনার শ্রবণ ক্ষতি গুরুতর হলে বড় যন্ত্রই ভালো কাজ দেয়।
"যত দামি, তত ভালো।" দাম আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে না মিললে কোনো লাভ নেই। সঠিক ফিটিং করা মাঝারি দামের যন্ত্র ভুল ফিটিংয়ের দামি যন্ত্রকে হারিয়ে দেয়।
"এটা শুধু বয়স্কদের জন্য।" ভুল। শিশু, তরুণ ও মধ্যবয়সীরাও শ্রবণ সমস্যায় ভোগেন। শিশুর ক্ষেত্রে দেরি করলে কথা শেখাতেও সমস্যা হয়। তাই শিশুর শ্রবণ সন্দেহ হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ দেখান।
"কানে শোনার যন্ত্র পরলে সবাই বুঝে ফেলবে।" আজকের RIC বা CIC যন্ত্র প্রায় অদৃশ্য। আর কথা না বুঝে হ্যাঁ-না বলার চেয়ে যন্ত্র পরে স্পষ্ট শোনা অনেক ভালো।
(FAQ)
কানে শোনার যন্ত্র কি সবার জন্য কাজ করে?
না। কিছু শ্রবণ ক্ষতিতে যন্ত্র সামান্যই সাহায্য করে। কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ বা অস্ত্রোপচার দরকার হয়। তাই আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
যন্ত্র কত দিন চলে?
সাধারণত কয়েক বছর। যত্ন আর ব্যবহারের ধরনের ওপর এটি নির্ভর করে।
কোথা থেকে কিনব?
অডিওলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে অনুমোদিত ডিলার বা হিয়ারিং ক্লিনিক থেকে কিনুন। ফিটিং আর সার্ভিসের সুবিধা থাকা জরুরি।
অনলাইনে কেনা কি নিরাপদ?
ঝুঁকি আছে। কানের মাপ, ফিটিং আর টিউনিং ছাড়া যন্ত্র ঠিকমতো কাজ করে না। অনলাইনে কিনলেও পরে অডিওলজিস্টের কাছে ফিটিং করিয়ে নিন।
শেষ কথা
কানে শোনার যন্ত্র একটি সিদ্ধান্ত, কেবল একটি কেনাকাটা নয়। আগে কান পরীক্ষা করুন। তারপর মাত্রা, ধরন, সার্ভিস আর বাজেট মিলিয়ে যন্ত্র বেছে নিন। কেনার পরে নিয়মিত ফলো-আপ রাখুন।
আপনার পরিবারে কেউ কি কথা শুনতে কষ্ট পাচ্ছেন? আজই একটি হিয়ারিং টেস্টের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। কানে শোনার যন্ত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রথম ধাপ ওটাই।
Comments (0)
Leave a Comment
Looking for genuine hearing aids in Bangladesh?
Related Articles

